Latest Post

মোবাইলের গোপনীয়তা রক্ষা এবং ব্যক্তিগত তথ্যের সুরক্ষার স্বার্থে কমবেশি সকলেই নিজেদের মোবাইল লক করে রাখার পক্ষপাতী। স্মার্টফোনে সাধারণত প্যাটার্ন লকিং এবং পাসওয়ার্ড লকিং-এর সাহায্যেই ফোন লক করেন সকলে। 

কিন্তু কোন কারণে সেট করা লকিং প্যাটার্ন কিংবা পাসওয়ার্ডটি ভুলে গেলেই কাজ হয়ে গেল। কারণ সে ক্ষেত্রে নিজের মোবাইল নিজেই আর ব্যবহার করতে পারবেন না আপনি। এমনটা ঘটলে কী করবেন? কী ভাবে আনলক করবেন নিজের মোবাইল? জেনে নিন, সহজ কৌশল—

১. ফোনের লক খুলতে না পারলে প্রথমেই ফোনটিকে সুইচ অফ করে দিন।

২. তার পর এক মিনিট অপেক্ষা করুন।

৩. এ বার ফোনের ভলিউম বাটন, পাওয়ার বাটন, আর হোমস্ক্রিন বাটন এক সঙ্গে চেপে ধরুন। কিছু ক্ষণের মধ্যেই দেখবেন, আপনার মোবাইলের স্ক্রিনের আলো জ্বলে উঠেছে, আর স্ক্রিনে ভেসে উঠেছে রিবুট ডেটা, ওয়াইপ ডেটা/ফ্যাক্টরি রিসেট, ইনস্টল আপডেট, পাওয়ার ডাউন ও অ্যাডভান্সড অপশনগুলি।

৪. এর মধ্যে ওয়াইপ ডেটা/ফ্যাক্টারি রিসেট অপশনটিকে সিলেক্ট করুন।

৫. এরপর ইয়েস, ডিলিট অল ডাটা সিলেক্ট করুন। সাথে সাথে ফোনটি রিসেট হতে শুরু করবে। 

৬. রিসেট শেষ হলে আবার একই অপশণ দেখাবে। সেখান থেকে রিবুট ডেটা সিলেক্ট করে ফোনটি রিস্টার্ট দিন। দেখবেন, মোবাইল আনলক হয়ে গিয়েছে।

প্রায় সমস্ত স্মার্টফোনেই কৌশল কার্যকর হবে। তবে খেয়াল রাখবেন, এই প্রক্রিয়ায় মোবাইল আনলক করলে মোবাইলের ইন্টারনাল মেমরিতে সেভ করা সমস্ত ডেটা কিন্তু মুছে যাবে। 

ফলে মোবাইল ব্যবহারের সময়ে চেষ্টা করবেন, যাবতীয় ছবি, ভিডিও ইত্যাদি এক্সটার্নাল মেমোরি কার্ডে সেভ করার। তা হলে আর ডেটা মুছে যাওয়ার সমস্যায় পড়তে হবে না। 

আর এই পদ্ধতি অবলম্বন করতে হলে এর আগে অবশ্যই সিম এবং মেমরি কার্ড খুলে রাখবেন।

#আমরা সকলেই কমবেশি internet speed meter ব্যবহার করি।
অনেক ফোনের ভারশনগত কারনে internet speed meter Notification থেকে হারিয়ে যায়।
তখন আবার speed meter open করলে Notification এ show করে।
বিশেষ করে যারা ললিপপ ইউজার তারা এ সমস্যয় বেশি সম্মুখীন হন।
আজ আমি একটা pro verson internet speed meter শেয়ার করবো।
যা আপনার ফোনে ইন্টারনেট চালু করার সাথে সাথে ফোনের notification এ অটোমেটিক চালু হবে।
আবার ইন্টারনেট বন্ধ করার সাথে সাথে অটোমেটিক notification থেকে চলে যাবে।

নিচ থেকে ফ্রিতে internet speed meter ডাইনলোড করে নিন।
Download Here
Symphony i10 user যারা আছেন তাদের ফোনে কোন apps ই background এ টিকমতো কাজ করে না।
বিশেষ করে যারা unroot তারা এ সমস্যয় বেশি পড়েন।
অনেকে আবার এ সমস্যার জন্য ফোন ই বিক্রি করে দিয়েছে।
এজন্য যা করতে হবে আপনাকে :
প্রথমে আপনার ফোনের ডায়ালপেডে গিয়ে টাইপ করুন
*#*#569726#*#*
এখন একটা নতুন পেজ ওপেন হবে
Lowram Enable ও Background Enable টিক তুলে দিন।
Background Service Limite এ 8 দিন।
কাজ শেষ,এখন i10 এর মজা নিন।
এই পোষ্ট কোথাও পাবেন না।এমনকি symphony customer care এ ও না।
এটি আমার নিজের experience থেকে লেখা।
খোদা হাফেজ।।।

#এই সূর্যের নিচে কোনো ঘটনায় নতুন না,যা ঘটে তা এর আগে ও ঘটেছে।
সুতরাং এটা কোনো নতুন পোষ্ট না।তবে এটা কোন কপি পোষ্ট নয়।
এই পোষ্টটি সম্পূর্ন আমার নিজের ভাষায় ও হাতে লেখা।
#যাদের ফোনের ফোনের র্যাম অনেক কম তারা সামান্য কিছু apps install করার ফলে ফোন অনেক slow হয়ে যায়।
এজন্য অনেকে বুস্টার use করেন।কিন্তুু তাতে ও কোন কাজ হয় না।
পুরাতন ফোনকে নতুনের চেয়ে বেশি সুপার ফাস্ট করতে পারবেন একটা apps এর সাহায্যে।
CPU Master pro টা ডাইনলোড করে install করতে হব।
এবার নিচের ছবির মত করে সব ঠিক করে নিন।

Max ও Min 1000 MHz করে দিন।
Scaling এ peformance করুন।
Set on boot এ টিক দিন।
এবার Apply এ ক্লিক করুন।
#আবার এই apps এর সাহায্যে 20% চার্জ দেখে screen off করলে ১ ঘন্টা পর ওই ২০% চার্জ ই থাকবে।
এজন্য যা করতে হবে Max ও Min 384 MHZ করতে হবে।
আর। Scaling powersave করে দিতে হবে।
কাজ শেষ।
এবার নিজেই দেখুন আপনার ফোন কতটা ফাস্ট।আর চার্জ কতসময় থাকে দেখুন।
কাজ হলে অবশ্যই কমেন্ট এ জানাবেন।





উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেম ব্যবহারকারীদের অনেকেই সতর্কতা ও নিরাপত্তার জন্য কম্পিউটারে পাসওয়ার্ড ব্যবহার করেন।

তবে বিপত্তি বাধে তখনই যখন অনেক পাসওয়ার্ডের ভিড়ে সেটি ভুলে গেলে।

তখন অনেকের ধারণা কম্পিউটারের অপারেটিং সিস্টেম ইন্সটল করা ছাড়া উপায় নেই। তবে এটিই একমাত্র পথ নয়। আরও কৌশল আছে কম্পিউটার খোলার।

সেটি জানা থাকলে পাসওয়ার্ড ভুলে গেলেও প্রয়োজন হবে না অপারেটিং সিস্টেম নতুন করে সেটআপ দেওয়ার। এ জন্য জানতে হবে দুই কৌশল।

এ টিউটোরিয়ালে উইন্ডোজে পাসওয়ার্ড ভুলে গেলে কিভাবে তা রিসেট করা যাবে সেটি তুলে ধরা হলো।


পাসওয়ার্ড রিসেট ডিস্ক

পাসওয়ার্ড ভুলে গেলে যেন ডিস্ক ব্যবহার করে তা রিসেট দেওয়া যায় সে জন্য একটি বিশেষ পদ্ধতি রয়েছে উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেমে।

এ জন্য স্টার্ট মেন্যু থেকে কন্ট্রোল প্যানেলে গিয়ে ইউজার অ্যাকাউন্টস থেকে সিলেক্ট করে creat a password রিসেট ডিস্কে ক্লিক করতে হবে। নির্দেশগুলো মেনে তৈরি করে ফেলুন ডিস্কটি।

ডিস্কটির মাধ্যমে আপনি ফরম্যাট ও আবার উইন্ডোজ ইন্সটল করা ছাড়াই পাসওয়ার্ড রিসেট করতে পারবেন।


উইন্ডোজ বুট ডিস্ক ব্যবহার

উইন্ডোজ বুট ডিস্ক দিয়ে উইন্ডোজ রিপেয়ার করা যায়। উইন্ডোজ রিপেয়ার করতে দেওয়ার সময় পাসওয়ার্ডটির জায়গাটি খালি রাখুন অথবা নতুন কোনো পাসওয়ার্ড দিন।

Our FB Page

















বিস্ময়করভাবে কিছু প্রোগ্রাম স্টার্টআপের সময় চালু হয়, যেগুলো স্টার্টআপ ফোল্ডার লিস্টের বাইরে। এগুলো দেখতে চাইলে সিস্টেম কনফিগারেশন টুল রান করুন। এক্সপির ক্ষেত্রে Start→Run-এ ক্লিক করে MSconfig টাইপ করে এন্টার চাপতে হবে। উইন্ডোজ ৭ এবং ভিস্তার ক্ষেত্রে Start-এ ক্লিক করে সার্চ বক্সে MSconfig টাইপ করুন এন্টার চাপার আগে। এবার Startup ট্যাবে ক্লিক করুন সব স্টার্টআপ আইটেম উন্মোচন করার জন্য। 

স্টার্টআপের সময় চালু হয় এমন আইটেম থামানোর উদ্দেশ্যে বক্সের টিক অপসারণ করার জন্য ক্লিক করুন। কোনো আইটেম অপসারণ করার আগে চেক করে দেখুন প্রতিটি আইটেম কিসের জন্য। প্রোগ্রামের নামের জন্য ওয়েব সার্চ পারফরম করলে সাধারণত উন্মোচিত হয় আইটেমটি কী কাজ করে। যদি কোনো সন্দেহ থাকে, তাহলে ওই বিষয় এড়িয়ে যাওয়াই ভালো।
                   

                                                    Our Fb Page


কম্পিউটারে কাজ করতে করতে একটা সময় দেখা যায়, প্রচুর অদরকারি ফাইল এখানে-সেখানে জমে হার্ডডিস্ক ড্রাইভের অনেকটা জায়গা দখল করে আছে। এসব ফাইল মুছে কম্পিউটার সিস্টেমকে পরিষ্কার করার কিছু সফটওয়্যার রয়েছে। এসব
বিনা মূল্যেই ইন্টারনেট থেকে নামিয়ে ব্যবহার করা যায়।

অদরকারি ফাইল মোছার সফটওয়্যারগুলোর মধ্যে বেশ জনপ্রিয় একটা প্রোগ্রাম সি ক্লিনার, যা নামানো যাবে goo.gl/7N5Pau ঠিকানার ওয়েবসাইট থেকে। এ সফটওয়্যারটি বেশ কাজের হলেও অনেক বেশি অপশন থাকায় নতুন ব্যবহারকারীদের বুঝে উঠতে কিছুটা সময় লাগে। প্রায় একই রকম কাজের বিকল্প
আরেকটি সফটওয়্যার হলো ক্যাসপারস্কি ক্লিনার, যার আকার প্রায় ২৫ মেগাবাইট।

প্রোগ্রামটি এখনো পরীক্ষামূলক পর্যায়ে থাকলেও কম্পিউটার নিরাপত্তা-বিষয়ক
প্রতিষ্ঠানটির নতুন এই টুলটি কাজ করবে পুরোপুরিই। এর মূল সুবিধা হলো, এটি ব্যবহারেও বেশ সুবিধাজনক। তাই যে কেউ সহজেই এটি বিনা মূল্যে ব্যবহার করতে পারবেন।

ক্যাসপারস্কি ক্লিনার নামান এখান থেকে  Downlord Kaspersky Cleaner BETA । এখান থেকে Kaspersky Cleaner BETA নামের ফাইলটি নামিয়ে ইনস্টল করুন। এরপর স্বয়ংক্রিয়ভাবে পুরো ফাইলটি নেমে ইনস্টল হয়ে যাবে। এরপর এটি চালু হবে। না হলে স্টার্ট মেনুর প্রোগ্রাম তালিকা থেকে চালু করুন।

START SCAN নামের বড় বোতামটিতে ক্লিক করলে সিস্টেম ক্লিনআপ, রিস্টোর
সিস্টেম সেটিংস, রিমুভ অ্যাকটিভিটি ট্রেসেস, প্রাইভেট ব্রাউজিং, ব্রাউজার ক্যাস, সম্প্রতি ফাইলের তালিকা এসব ভাগে ভাগে অপ্রয়োজনীয় ফাইল বাছাই করে মুছে ফেলার জন্য তালিকা প্রস্তুত করে দেখাবে।

সেখান থেকে কোনো ফাইল যদি মুছতে না চান, তাহলে তার পাশ থেকে টিক
উঠিয়ে দিলেই হবে। এরপর ফিক্স বোতামে ক্লিক করলে ফাইল বা সমস্যা সমাধানের কাজ সম্পন্ন হবে। সবশেষে কম্পিউটার রিস্টার্ট দিতে হবে।

ফাইল মোছার পর কোনো সমস্যা হলে বা কোনো কারণে আগের অবস্থায় ফেরত যেতে চাইলে ROLL BACK CHANGES বোতামে ক্লিক করে তা করা যাবে।



Author Name

Contact Form

Name

Email *

Message *

Powered by Blogger.